স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। স্বাস্থ্য ভাল না থাকলে কোন কিছুই ভাল লাগে না। ক্ষেত-খামারের কাজই হোক, আর কুলি-মজুরের কাজই হোক, অফিসের কাজই হোক, আর অধ্যয়নের কাজই হোক, এমনকি আল্লাহর এবাদত-বন্দেগী করতে গেলেও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া একান্ত দরকার, রুগ্ন ও ভগ্ন স্বাস্থ্য নিয়ে এর কোনটাই করা সম্ভব নয়। আমাদের পিয়ারা নবী, হজরত মোহাম্মদ (স:) এই তথ্যটি এত গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে, ইসলামের প্রতিটি কাজের ভেতর দিয়ে তিনি এর প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।
অজু-গোসল থেকে শুরু করে, তায়ম্মুম, নামাজ, ও রোজার ভিতর দিয়ে, সময়মত নিদ্রা ও নিয়মিত আহারের মাধ্যমে এবং মাদকদ্রব্য বর্জনের দ্বারা তিনি স্বাস্থ্যকে বজায় রাখার এমন কতকগুলো ব্যবস্থাপনা দিয়ে গিয়েছেন, যাকে বর্তমান জগতের কম্পিউটার সিসটেমের সঙ্গে অথবা একটি পানি বিশুদ্ধকরণ মেশিনের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে, যে মেশিন দুষিত পানির ধুলা-ময়লা আবর্জনা ও রোগ-জীবাণুকে ছেঁকে আলাদা করে দিয়ে, বিশুদ্ধ পানি বের করে আনে সর্বসাধারণের পানের উপযোগী করে।
অজু-গোসল থেকে শুরু করে, তায়ম্মুম, নামাজ, ও রোজার ভিতর দিয়ে, সময়মত নিদ্রা ও নিয়মিত আহারের মাধ্যমে এবং মাদকদ্রব্য বর্জনের দ্বারা তিনি স্বাস্থ্যকে বজায় রাখার এমন কতকগুলো ব্যবস্থাপনা দিয়ে গিয়েছেন, যাকে বর্তমান জগতের কম্পিউটার সিসটেমের সঙ্গে অথবা একটি পানি বিশুদ্ধকরণ মেশিনের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে, যে মেশিন দুষিত পানির ধুলা-ময়লা আবর্জনা ও রোগ-জীবাণুকে ছেঁকে আলাদা করে দিয়ে, বিশুদ্ধ পানি বের করে আনে সর্বসাধারণের পানের উপযোগী করে।
আহার ও নিদ্রা:
ইসলাম প্রচারের চৌদ্দশত বছর পরে, বর্তমান জগতের ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে, অতিভোজনকারীর জীবন, স্বল্প ভোজনকারীর জীবনের চেয়ে বেশী ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ মোটা লোক কাজে-কর্মেও দুর্বল এবং তারা তাড়াতাড়ি মৃত্যুবরণ করে। এর কারণ নির্ণয়ে দেখা গেছে যে, মোটা লোকের শরীরে কলেস্টেরল জমা হয়, যা হৃৎপিন্ডের কাজের ব্যাঘাত ঘটায় এবং তাতে তাড়াতাড়ি মানুষের মৃত্যু হয়। রাসুলুলস্নাহ (স:) সর্বদা স্বল্পাহারী ছিলেন এবং অন্যকেও স্বল্পাহারের উপদেশ দিতেন, সেই সঙ্গে আবার কেউ যাতে অনাহারে না থাকে, সেদিকেও সর্বদা সু-নজর রাখতেন।
ইসলাম প্রচারের চৌদ্দশত বছর পরে, বর্তমান জগতের ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে, অতিভোজনকারীর জীবন, স্বল্প ভোজনকারীর জীবনের চেয়ে বেশী ক্ষণস্থায়ী অর্থাৎ মোটা লোক কাজে-কর্মেও দুর্বল এবং তারা তাড়াতাড়ি মৃত্যুবরণ করে। এর কারণ নির্ণয়ে দেখা গেছে যে, মোটা লোকের শরীরে কলেস্টেরল জমা হয়, যা হৃৎপিন্ডের কাজের ব্যাঘাত ঘটায় এবং তাতে তাড়াতাড়ি মানুষের মৃত্যু হয়। রাসুলুলস্নাহ (স:) সর্বদা স্বল্পাহারী ছিলেন এবং অন্যকেও স্বল্পাহারের উপদেশ দিতেন, সেই সঙ্গে আবার কেউ যাতে অনাহারে না থাকে, সেদিকেও সর্বদা সু-নজর রাখতেন।
রোযা:
রাসুলে করীম (স:) রোযার খুব ভক্ত ছিলেন এবং রমযানের রোযা ছাড়াও, সারা বছরই বিভিন্ন উপলক্ষে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রোযা রাখতেন। রমযানের রোযা সমন্ধে হাদীসে বলা হয়েছে- বিনা কারণে একটা রোযা ভঙ্গ করলে সে যদি সারাজীবনও রোযা রাখে তাহলে তার প্রতিশেধক হবে না রোযা সমন্ধে এত জোর তাগিদ কেন দেয়া হয়েছে? এর প্রধান কারণ এই যে, অর্থাভাবে যারা অনাহারে থাকে, তাদের ড়্গুধার কষ্ট কি দুর্বিষহ, তা যাতে সকলেই উপলব্ধি করতে পারে, ধনীর বাড়ীর পাশে যাতে কোন গরীব অনাহারে না থাকে, ধনীরা-গরীবের প্রতি যাতে সহানুভূতিশীল হয় এবং ফিতরার টাকা, যাকাতের টাকা ও অন্যান্য টাকা দিয়ে যাতে তাদের সাহায্য করে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো স্বাস্থ্যগত| রোযায় মানুষের স্বাস্থ্য খারাপ হয়- এটাই সর্ব সাধারণের ধারণা কিন্তু এতে যে স্বাস্থ্য আরো ভাল থাকে- এ সমন্ধে কিন্তু অনেকেরই সুস্পষ্ট ধারণা নেই। যে সমস্ত লোক এতে উপকৃত হয়ে থাকেন, তাঁরা হচ্ছেন অধিক ভোজনের জন্য যাদের দেহে কলেস্টেরল বা চর্বি জমা হয়, হৃৎপিন্ডের কাজের ব্যাঘাত ঘটায় এবং মৃত্যু ডেকে আনে। রমযানের রোযার, এক মাস কৃচ্ছ্রসাধনার ফলে, তাঁদের হৃৎপিন্ড আবার স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায় এবং এতে তাদের জীবনে আয়ু বৃদ্ধি পায়। ধুমপায়ীদের জন্যও রোযা একটা বিরাট উপকার করে, তাদের ফুসফুস অন্তত এক মাসের জন্য নিকোটিনের বিষক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। কোষ্ঠ-কাঠিন্যের জন্যও রোযা কিছুটা সুফল আনে। একই রাতে তিনবার আহার করায় এবং ইফতারীর সময় প্রচুর পানি ও শরবত পান করায়, কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের জন্যও রোযা অপরিসীম হৃত সাধন করে থাকে।
তাছাড়া রোযা রেখেও যে পূর্ণ শৌর্য-বীর্যের কাজ করা যায়, তার প্রমাণ পেয়েছি আমরা বদরের যুদ্ধে। রমযান মাসের ১৭ তারিখে বদরের যুদ্ধে মাত্র তিনশত তের জন রোযাদার মুসলমান, এক হাজার অ-রোযাদারের বিরুদ্ধে বীর-বিক্রমে তুমুল যুদ্ধ করে তাদেরকে যেভাবে ধরাশায়ী করে বিজয়ের মালা ছিনিয়ে এনছিলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সারা দুনিয়ার মুসলমান তা গৌরবভরে স্মরণ করবে।
রাসুলে করীম (স:) রোযার খুব ভক্ত ছিলেন এবং রমযানের রোযা ছাড়াও, সারা বছরই বিভিন্ন উপলক্ষে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রোযা রাখতেন। রমযানের রোযা সমন্ধে হাদীসে বলা হয়েছে- বিনা কারণে একটা রোযা ভঙ্গ করলে সে যদি সারাজীবনও রোযা রাখে তাহলে তার প্রতিশেধক হবে না রোযা সমন্ধে এত জোর তাগিদ কেন দেয়া হয়েছে? এর প্রধান কারণ এই যে, অর্থাভাবে যারা অনাহারে থাকে, তাদের ড়্গুধার কষ্ট কি দুর্বিষহ, তা যাতে সকলেই উপলব্ধি করতে পারে, ধনীর বাড়ীর পাশে যাতে কোন গরীব অনাহারে না থাকে, ধনীরা-গরীবের প্রতি যাতে সহানুভূতিশীল হয় এবং ফিতরার টাকা, যাকাতের টাকা ও অন্যান্য টাকা দিয়ে যাতে তাদের সাহায্য করে। আর দ্বিতীয় কারণ হলো স্বাস্থ্যগত| রোযায় মানুষের স্বাস্থ্য খারাপ হয়- এটাই সর্ব সাধারণের ধারণা কিন্তু এতে যে স্বাস্থ্য আরো ভাল থাকে- এ সমন্ধে কিন্তু অনেকেরই সুস্পষ্ট ধারণা নেই। যে সমস্ত লোক এতে উপকৃত হয়ে থাকেন, তাঁরা হচ্ছেন অধিক ভোজনের জন্য যাদের দেহে কলেস্টেরল বা চর্বি জমা হয়, হৃৎপিন্ডের কাজের ব্যাঘাত ঘটায় এবং মৃত্যু ডেকে আনে। রমযানের রোযার, এক মাস কৃচ্ছ্রসাধনার ফলে, তাঁদের হৃৎপিন্ড আবার স্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পায় এবং এতে তাদের জীবনে আয়ু বৃদ্ধি পায়। ধুমপায়ীদের জন্যও রোযা একটা বিরাট উপকার করে, তাদের ফুসফুস অন্তত এক মাসের জন্য নিকোটিনের বিষক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে। কোষ্ঠ-কাঠিন্যের জন্যও রোযা কিছুটা সুফল আনে। একই রাতে তিনবার আহার করায় এবং ইফতারীর সময় প্রচুর পানি ও শরবত পান করায়, কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের জন্যও রোযা অপরিসীম হৃত সাধন করে থাকে।
তাছাড়া রোযা রেখেও যে পূর্ণ শৌর্য-বীর্যের কাজ করা যায়, তার প্রমাণ পেয়েছি আমরা বদরের যুদ্ধে। রমযান মাসের ১৭ তারিখে বদরের যুদ্ধে মাত্র তিনশত তের জন রোযাদার মুসলমান, এক হাজার অ-রোযাদারের বিরুদ্ধে বীর-বিক্রমে তুমুল যুদ্ধ করে তাদেরকে যেভাবে ধরাশায়ী করে বিজয়ের মালা ছিনিয়ে এনছিলেন, কিয়ামত পর্যন্ত সারা দুনিয়ার মুসলমান তা গৌরবভরে স্মরণ করবে।
ওযু
আল্লাহর যে-কোন এবাদত বন্দেগী শুরু করার আগে, দেহ ও মনকে পবিত্র করার জন্য ওযুর ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা যখন কোন রাজা-বাদশার দরবারে যাই, তখন ভাল করে গোসল করে, সুন্দর সুন্দর পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে, আতর-গোলাপ-খুশবু মেখে সেই দরবারে হাজির হই। আর আল্লাহর এবাদত করার সময় আমরা আল্লাহর দরবারে হাজির হচ্ছি। তিনি হচ্ছেন, রাব্বুল আলামীন, সারা আলমের শাহান শাহ, বাদশাহ, কাজেই তাঁর দরবারে হাজির হওয়ার আগে আমাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পূত-পবিত্র হতে হবে এটাই স্বাভাবিক|
আল্লাহর যে-কোন এবাদত বন্দেগী শুরু করার আগে, দেহ ও মনকে পবিত্র করার জন্য ওযুর ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা যখন কোন রাজা-বাদশার দরবারে যাই, তখন ভাল করে গোসল করে, সুন্দর সুন্দর পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে, আতর-গোলাপ-খুশবু মেখে সেই দরবারে হাজির হই। আর আল্লাহর এবাদত করার সময় আমরা আল্লাহর দরবারে হাজির হচ্ছি। তিনি হচ্ছেন, রাব্বুল আলামীন, সারা আলমের শাহান শাহ, বাদশাহ, কাজেই তাঁর দরবারে হাজির হওয়ার আগে আমাদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, পূত-পবিত্র হতে হবে এটাই স্বাভাবিক|
তায়াম্মুম:
আল্লাহর ইবাদত করতে গেলে ওযু-গোসলের একান্ত দরকার এবং তা করার জন্য জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। যিনি অসুস্থ, ওযু-গোসল করতে গেলে যার অসুস্থতা বেড়ে যাবে, তিনি কি করবেন? নিজের জীবন বিপন্ন করেও কি তিনি ওযু-গোসল করবেন? না, ওযু-গোসল করা গেল না বলে, আল্লাহর এবাদতই ছেড়ে দেবেন? এমন দুটি কঠিন প্রশ্নের সমাধানের জন্য আলস্নাহ তায়ালা তায়াম্মুমের বিধান দিয়েছেন। তায়াম্মুমের ব্যবস্থা করে আলস্নাহ তায়ালা ইবাদতের পথ ও খোলা রেখেছেন, আবার পানির স্পর্শে এসে রোগীর রোগ-যন্ত্রণা যাতে বৃদ্ধি না পায়, সে ব্যবস্থাও করেছেন।
আল্লাহর ইবাদত করতে গেলে ওযু-গোসলের একান্ত দরকার এবং তা করার জন্য জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। যিনি অসুস্থ, ওযু-গোসল করতে গেলে যার অসুস্থতা বেড়ে যাবে, তিনি কি করবেন? নিজের জীবন বিপন্ন করেও কি তিনি ওযু-গোসল করবেন? না, ওযু-গোসল করা গেল না বলে, আল্লাহর এবাদতই ছেড়ে দেবেন? এমন দুটি কঠিন প্রশ্নের সমাধানের জন্য আলস্নাহ তায়ালা তায়াম্মুমের বিধান দিয়েছেন। তায়াম্মুমের ব্যবস্থা করে আলস্নাহ তায়ালা ইবাদতের পথ ও খোলা রেখেছেন, আবার পানির স্পর্শে এসে রোগীর রোগ-যন্ত্রণা যাতে বৃদ্ধি না পায়, সে ব্যবস্থাও করেছেন।
নামাজ:
সমস্ত ইবাদতের শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো নামাজ, যা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশী প্রিয়। তাই নামাজপড়া মুসলমানদের একান্ত কর্তব্য। এই নামাজ, কুরআন তেলাওয়াতের মত বসে বসে পড়ারও ব্যবস্থা করা যেত অথবা যোগী-ঋৃষীদের মত বৃক্ষতলায় বসে জপমালার মত তসবীহ হাতে জপ করা যেত। তাই যে নামাজ বান্দারা সারাজীবন পড়বে এবং এক দিনে বারে বারে পড়তে হবে, সেটাকে অলস, অথর্বের মত এক জায়গায় চুপ করে বসে বসে পড়ে হাত-পা গুলোকে স্থবির করে দিতে চাননি। বরং ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে, সারা শরীরের এক্সারসাইজ হয়ে, শরীরে যাতে বেশী করে রক্ত সঞ্চালন হয়, মুসুল্লিগণ যাতে কর্মক্ষম থাকেন এবং রুজী-রোজগারের জন্য হাত-পা যাতে শক্ত-সবল থাকে, সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রেখে নামাজের পদ্ধতিগুলো ঠিক করেছেন। শরীরকে সুস্থ-সবল রাখার জন্য আজকাল জিমনাসিয়ামে যেসব এক্সারসাইজের ব্যবস্থা দেয়া হয়, নামাজের ভেতর দিয়েও ইসলামে তার চেয়ে উৎকৃষ্ট ব্যবস্থাই দেয়া হয়েছে। সবশেষে তাই আমাদের একানত্ম কামনা হওয়া উচিৎ পবিত্র রমজানের একমাস রোযা ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর জান্নাত প্রাপ্তি।
সমস্ত ইবাদতের শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো নামাজ, যা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বেশী প্রিয়। তাই নামাজপড়া মুসলমানদের একান্ত কর্তব্য। এই নামাজ, কুরআন তেলাওয়াতের মত বসে বসে পড়ারও ব্যবস্থা করা যেত অথবা যোগী-ঋৃষীদের মত বৃক্ষতলায় বসে জপমালার মত তসবীহ হাতে জপ করা যেত। তাই যে নামাজ বান্দারা সারাজীবন পড়বে এবং এক দিনে বারে বারে পড়তে হবে, সেটাকে অলস, অথর্বের মত এক জায়গায় চুপ করে বসে বসে পড়ে হাত-পা গুলোকে স্থবির করে দিতে চাননি। বরং ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে, সারা শরীরের এক্সারসাইজ হয়ে, শরীরে যাতে বেশী করে রক্ত সঞ্চালন হয়, মুসুল্লিগণ যাতে কর্মক্ষম থাকেন এবং রুজী-রোজগারের জন্য হাত-পা যাতে শক্ত-সবল থাকে, সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রেখে নামাজের পদ্ধতিগুলো ঠিক করেছেন। শরীরকে সুস্থ-সবল রাখার জন্য আজকাল জিমনাসিয়ামে যেসব এক্সারসাইজের ব্যবস্থা দেয়া হয়, নামাজের ভেতর দিয়েও ইসলামে তার চেয়ে উৎকৃষ্ট ব্যবস্থাই দেয়া হয়েছে। সবশেষে তাই আমাদের একানত্ম কামনা হওয়া উচিৎ পবিত্র রমজানের একমাস রোযা ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর জান্নাত প্রাপ্তি।
